My School

করোনা ভাইরাস প্রতিরোধে শিক্ষকগণের ভূমিকা

Shahzaman Shuvoh No Comments

সারা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়েছে কোভিড-১৯। চীনের উহান প্রদেশে প্রথম যাত্রা শুরু হয় করোনা ভাইরাস। www.worldometer.info হতে জানা যায় আজ (১৬/০৪/২০২০) পর্যন্ত  বিশ্বে আক্রান্তের সংখ্যা ২০,৯২,০০৮ জন, মৃত্যু হয়েছে ১,৩৫,২৩০জন এবং সুস্থ্য হয়েছেন-৫,১৬,৯৭৫জন। এখন চীন কিছুটা স্বস্তির হলেও যুক্তরাষ্ট্র(আক্রান্ত-৬,৪৪,৩৪৮), স্পেন (আক্রান্ত-১,৮০,৬৫৯),ইটালী (আক্রান্ত-১,৬৫,১৫৫), ফ্রান্স (আক্রান্ত-১,৪৭,৮৬৩), জার্মানী (আক্রান্ত-১৩৪,৭৫৩), যুক্তরাজ্য(আক্রান্ত-৯৮,৪৭৬), ইরান (আক্রান্ত-৭৬,৩৮৯), তুর্কী (আক্রান্ত-৬৯,৩৯২), ভারত (আক্রান্ত-১২,৪৫৬), পাকিস্তান (আক্রান্ত-৬,৫০৫),বাংলাদেশ (আক্রান্ত-১,৫৭২)সহ বিশ্বে ২১০টি দেশ করোনা ভাইরাসের কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত। Read More

মাসুদ ভাই বললেন, স্যার দোয়াই আসল

Shahzaman Shuvoh No Comments

মাসুদ সরকার সাহেবের সাথে আমার প্রথম দেখা হয় বাতাকান্দি সরকার সাহেব আলি আবুল হোসেন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের মসজিদ গেইটের সামনে। আমি বাতাকান্দি উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা মরহুম বেলায়েত হোসেনের সহধর্মিনী মরহুমা নাজমা বেগমকে এবং কনিষ্ঠ সন্তান পারভেজ হোসেনকে চিনতাম বাকী অন্যান্যদের তখন দেখিনি কাজেই চিনতাম না। মাসুদ সরকার চেহেরা পারভেজ হোসেন সরকার সাথে মিল আছে বিধায় বুঝতে সহজ হয়েছ পারভেজ হোসেনের ভাই। মাসুদ সরকার আমাকে দেখেই সালাম দিলেন এবং জিজ্ঞেস করলেন, আপনি এই স্কুলের শিক্ষক? আমি জি বলে উত্তর দিলাম। তারপর উনি বললেন, আমার আব্বা স্কুল দিয়েছেন এলাকার ছেলে মেয়েদের মানুষ করার জন্য; আপনারা সেই মানুষ গড়ার কারিগড়। Read More

আমার প্রাইমারি স্কুল জীবন

Shahzaman Shuvoh No Comments

আমার স্কুল জীবনের যে স্মৃতি কিছু সুখকর ছিল, আবার কিছু মনে হলে নিজেকে অপরাধী মনে হয়; নায়কও ভাবতে পারি মাঝে মাঝে। আমার প্রথম প্রাইমারি স্কুল ছিল পশ্চিম মজিদপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়। এর অবস্থান আমাদের বাড়ী হতে এক কিলোমিটারের মতো হবে। প্রত্যেকদিন স্কুলে যাইতাম আর আসার পথে চলত নানান রকমের দুষ্টমী; কারো আমগাছে মাটির চাকার ডিল; কারো বড়ই গাছে মাটির ডিল, কাউকে পায়ে ল্যাংটি মেরে ফেলে দেয়া অথবা দৌড়ে কে আগে আসতে পারে ইত্যাদি ছিল নিত্যনৈমিত্তিক ব্যাপার। বর্ষাকালে মাঝে মধ্যে নৌকা খেলানো বা নৌকাবাইচ তো ছিলই। একজন বয়স্ক শিক্ষক আমাদেরকে ছন্দের তালে তালে শতকিয়া পড়াতেন। ছড়া পড়াতেন। খুব ভাল লাগতো। উনাকে হাইজইন মুন্সী নামে সবায় চিনতো। ক্লাশ টু এ পড়ার সময় অংক বাড়ির কাজ ভুল করেছিলাম বিদায় একদিন ভীষম ব্যাত্রাঘাত খেয়েছিলাম। ঐই স্যারের নাম জসীম উদ্দিন। এই সময়গুলোতে দাড়িয়াবান্ধা, গোল্লাছুট, চোরা রাজা গোল্লা, ডাংগুটি, বউছি, কানামাছি, জোরখেলা (কুস্তি/বলিখেলা) এবং ফুটবল খেলা খেলেছি। জোসনারাতে বয়স্ক লোকের নিকট পুথি শোনতাম বা কিচ্ছা (গল্প) শোনতাম। এই স্কুলের বন্ধুদের নাম আজো মনে আছে; আনিছ, শামীম,প্রদীপ, রতন,ফরহাদ, হেলাল, জাহাঙ্গীর, শান্তনা, রাজিয়া,রিতা আশ্চায্য, সুবেদ চদ্র, ধরণী চদ্র দাস, হরিমন চন্দ্র দাস, ক্ষীতিষ চন্দ্র দাস, শ্যামল চন্দ্র দাস, নারগিছ প্রভৃতি।
Read More

আবুল কাশেম মোল্লা স্যার আমার প্রকৃত সহকর্মী শিক্ষক

Shahzaman Shuvoh No Comments

২০১০ সালে আমি বাতাকান্দি সরকার সাহেব আলি আবুল  হোসেন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ে সহকারি শিক্ষক (কৃষি শিক্ষা) যোগদান করি। আমার যোগদান সময়ে আবুল কাশেম মোল্লা শিক্ষক প্রতিনিধি ছিলেন। আমার যোগদান গ্রহণের রেজুল্যাশনে কাশেম মোল্লা স্যার স্বাক্ষর করেনি। সম্ভবত প্রধান শিক্ষকের সাথে উনার সম্পর্ক ভাল ছিল না। তবে আমার প্রতি উনার স্নেহের কমতি ছিল না। আমি প্রবাস ফেরত ছিলাম। চাকুরীর প্রথমদিকে খুব চঞ্চলতা ছিল। আমি কোন ভুল করলে আমাকে কাশেম মোল্লা স্যার গোপণে ডেকে নিয়ে ভুল ধরিয়ে দিতেন। আবুল কাশেম মোল্লা স্যার আমার শুধু সহকর্মী ছিলেন না, ছিলেন আমার শিক্ষকতার গুরু। আমার ভুল আমাকে কেউ কোন দিন বলেনি শুধু আবুল কাশেম মোল্লাই আমাকে ভুল সংশোধনের সুযোগ দিতেন। সেইদিক দিয়ে কাশেম মোল্লা স্যার আমার শিক্ষক। Read More

মুজিববর্ষের স্বপ্নের স্বপ্ন

Shahzaman Shuvoh No Comments

আমার সামনে পীছনে নিরাপত্তাকর্মী। আমি যাচ্ছি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রির কার্যালয়ে। নানান রকম পরীক্ষা নিরিক্ষার পর আমাকে নিয়ে যাওয়া হলো একটি নীলাভ কক্ষে। একটি কক্ষে আমাকে বসিয়ে দিয়ে নিরাপত্তাকর্মীগণ চলে গেলেন। আমার কাছে বিশ্বাস হচ্ছে না আমি প্রধানমন্ত্রির কার্যালয়ে। তাও আবার মুজিববর্ষ নিয়ে আলাপ করতে। দেশে শিক্ষক নেতার অভাব নেই। Read More