১১ মে ২০১৫ এর প্রায় ১৪দিন পর ভিসা পেলাম। ভিসা পাবার দিন আবার দেখা হল রতন কুমার বশিক, শ্রী যোতিষ রায়, তিলক চন্দ্র, পীযুষের সাথে। পাসপোর্ট খুলে খুব দ্রুত দেখলাম ভিসা পেয়েছি কি না। আমি দেখালাম আমি ভিসা পেয়েছি।

প্রধান শিক্ষক বললেন, আমারটা নাও হতে পারে! আমি বললাম নেতিবাচক কথা বলবেন না স্যার। ইনশাল্লাহ হবে। পরে দেখলাম প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আলাউদ্দিন ভূইয়াও ভিসা পেয়েছে। আমরা দুজনেই খুশী হলাম। নিচে এসে জানতে পারলাম আমাদের সবাই ভিসা পেয়েছে কিন্তু তিলক রায় ভিসা পায়নি। আমরা কিছুই বুঝলাম না। সকলের কাগজপত্র প্রায় একই রকম অতচ তিলক রায়কে ভিসা দিলনা। আসলেই বৃট্রিশদের মতিগতি বুঝা কঠিন।

Comments are closed.