আমি প্রতিদিন সকালে কমতা টাওয়ারে যাই আর বাসায় ফিরি রাত নয়টা বা দশটায়। কমতা টাওয়ার আসলে একটি বহুমুখী কমপ্লেক্স, যার মধ্যে রয়েছে খুচরো দোকান, পরিবহন কেন্দ্র এবং পেনাং রাজ্য সরকারের প্রশাসনিক কার্যালয় গঠিত। মালয়েশিয়ায় দ্বিতীয় প্রধানমন্ত্রী তুন আবদুল রাজ্জাক বিন হুসেন আল-হজের নামকরণ করা হয়, যিনি 1 জানুয়ারী 1974-এ ফেজ 1 এর পিলিংয়ের দায়িত্ব অর্পণ করেন। মালয়েশিয়ায় পেনাং এর জর্জ টাউন শহরে অবস্থিত ।   

 

টাওয়ারটি 1974 সালে নির্মিত হয়েছিল এবং 1986 সালে সম্পন্ন হয়। গ্রীষ্মকালীন সময়ে 1985 সালে এটি শীর্ষস্থানীয় হয়েছিল, এটি মূলত 65 তলা এবং 23২ মিটার (761 ফুট) উচ্চতা সম্পন্ন হয়েছিল। এর সমাপ্তি হওয়ার সময়, টোকিওর সানশাইন 60 এর পরে কোমটার টাওয়ার এশিয়ার দ্বিতীয় বৃহত্তম ভবন ছিল। 1988 সালে কুয়ালালামপুরে মেনারা মেব্যাঙ্কের পাশে যাওয়ার আগে মালয়েশিয়ার লম্বা গ্রীষ্মকালীন গ্রীষ্মকালীন ভবন হিসেবে এই ভবনটি তার মর্যাদা বজায় রাখে।

অনেক দিন হলো কমতা টাওয়ারের উপরে যাই নাই। কমতা টাওয়ারের লিফট্ম্যান নেপালীকে বললাম আমাকে একদিন কমতা টাওয়ারের রেস্টুরেন্টে কপি খাওয়া। লিফট ম্যান বলল, সরি দোস্ত। হবে না। অনেক নিয়ম কানুন আছে ফরেনারের জন্য।

কমতা টাওয়ারে উপরের ফ্লোরে প্রিন্স নামে এক বাংলাদেশী কাজ করে। প্রিন্সকে বললাম, মামা আমাকে একদিন কমতা টাওয়ারের উপরে তোমাদের সাথে নেও। প্রিন্স আমার কথা মত আজ আমাকে সাথে নিয়ে কমতা টাওয়ারের উপরের রেস্টুরেন্টে নিয়ে গেল। আমি কমতা টাওয়ারের রেস্টুরেন্টের কাঁচ দিয়ে নিচের দিকে লক্ষ্য করলাম। নিচের গাড়িগুলোকে খুবই ছোট মনে হয়। এখানে উঠে আমার চট্রগ্রামের বাটালী হিলের কথা মনে পড়ল। ছোটবালায় বহুবার বাটালী হিলে উঠেছি। আজই জীবনের প্রথম কোন সর্বোচ্চ টাওয়ারে উঠলাম। কুয়ালালামপুরের টুইন টাওয়ারের আমি উঠিনি।

Comments are closed.