বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপনের কথা সারা বিশ্ব জানে। কিন্তু পাকিস্তানেও যে এটা উদযাপন হয় তা জানেনা অনেকেই। এমনকি পাকিস্তানে বাংলা পড়ানোর বিষয়টাও অনেকের অজানা। শুধু পড়ানোই হয় না, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯  বৃহস্পতিবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগে আলোচনা হবে ভাষা আন্দোলন নিয়ে। ভাষার সেতুতে সংযুক্ত হবে ঢাকা-কলকাতা-করাচি। করাচি বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের চেয়ারপার্সন অধ্যাপক মহম্মদ আবু তাইয়ব খান-এর বরাত দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে আনন্দবাজার। ১৯৭১ সালে স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের পর সাবেক পশ্চিম পাকিস্তান থেকে অনেক বাংলাভাষী বাংলাদেশে চলে আসেন। একটা বড় অংশ কিন্তু রয়েও গিয়েছিলেন সেখানে। পাকিস্তানের বাংলাভাষী জনসংখ্যার অধিকাংশই করাচিতে বসবাস করেন। পাকিস্তানি বাঙালি বিষয়ক কমিটির তথ্য অনুযায়ী, পাকিস্তানে বাংলাভাষীদের দুইশোর মতো জনবসতি আছে। এর মধ্যে ১৩২টিই করাচিতে। ১৯৫১ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় করাচি বিশ্ববিদ্যালয়। ১৯৫৩ সাল থেকেই সেখানে শুরু হয় বাংলা বিভাগের পথ চলা। তাইয়ব জানান, এখন স্নাতক ও স্নাতকোত্তর মিলিয়ে বিভাগের শিক্ষার্থী সংখ্যা ৩০ জন। আগে চারজন শিক্ষক থাকলেও একজনের অবসরের পর এখন তিন জন। তবে এর মধ্যেও এমফিল-পিএইচডি’র মতো গবেষণা যাতে শুরু করা যায় তার চেষ্টা চলছে বলে দাবি তার। স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ছাড়াও শুধু বাংলা লিখতে ও বলতে পারার জন্য তাদের সার্টিফিকেট কোর্সও রয়েছে। বাংলাদেশে থেকে শিক্ষকরা সেখানে নিয়মিত যান।

সূত্রঃ অনলাইন

Comments are closed.